মোহাইমিনুল ইসলাম: কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা একটি কাঁচা রাস্তা নিজ অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য (মেম্বার) পদপ্রার্থী মো. আজিজুল হক। তার এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
শনিবার (৮ আগস্ট) স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা রাস্তার দুরবস্থার বিষয়টি মো. আজিজুল হককে মোবাইল ফোনে জানান। পরে তিনি এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেন। এরই অংশ হিসেবে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে রাবিশ/ইটের খোয়া ফেলে কাঁচা রাস্তার নিচু ও ভাঙা অংশ ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার কাজ শুরু করেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় থাকায় বর্ষাকালে পানি ও কাদায় চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে মেম্বার পদপ্রার্থী আজিজুল হক এলাকাবাসীর ফোন পেয়ে দ্রুত সাড়া দিয়ে নিজ উদ্যোগে রাস্তা সংস্কারের কাজ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন বলেন, “রাস্তার বিষয়ে আমরা মেম্বার, চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছি। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। আজিজুল হক মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন। আমরা তার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং তার পাশে আছি।”
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু নির্বাচনের সময় নয়, মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান এমন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। তাদের মতে, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই যিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন, ভবিষ্যতে তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে আরও ভূমিকা রাখতে পারবেন।
মো. আজিজুল হক থেতরাই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি ‘ এসো গরিবের পাশে দাঁড়াই’ নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এ বিষয়ে মো. আজিজুল হক বলেন, “এলাকার মানুষের সেবা করাটাই আমার মূল লক্ষ্য। রাস্তার সমস্যার কথা জানতে পেরে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি আমার কাছে বড় কথা। এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবাসবে, দোয়া করবে—এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করতে দ্রুত স্থায়ীভাবে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত।