1. admin@dailykalersomoy.com : admin :
  2. rokunsorker724@gmail.com : Rokun : Rokun
  3. sohelrana57348@gmail.com : sohel Rana : sohel Rana
উলিপুরে আরডিআরএসের গ্রাহকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ, ১৩ হাজার টাকা প্রতারণার শিকার - Daily Kaler Somoy        
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 01410-871297
শিরোনামঃ
সরকারি দপ্তরে জন্মদিনের আয়োজন, উলিপুরে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক উলিপুরে জুয়া খেলার সময় ১৪ হাজার ৬৯৫ টাকাসহ আটক-৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুন্নবী খন্দকারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন উলিপুরে ইলেক্ট্রোফিশিংয়ে মাছ শিকার, দুইজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামে ইয়াবা সেবনে ৬ মাসের কারাদণ্ড উলিপুরে ৮১ পিস ইয়াবা ও নগদ সাড়ে ৩ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার-১ উলিপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী ও শাশুড়ি পলাতক উলিপুরে টিআইয়ের উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা: দুই কর্মকর্তার দুই রকম বক্তব্য টিআই মাঠে নেই, সার্জেন্ট দিয়েই চলছে ট্রাফিক ! ডাম্পার-কাঁকড়া ট্রাকে ‘নজর নেই’ ট্রাফিক সার্জেন্টদের উলিপুরে ৫০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ৫ হাজার টাকাসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি নয়ন গ্রেপ্তার

উলিপুরে আরডিআরএসের গ্রাহকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ, ১৩ হাজার টাকা প্রতারণার শিকার

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার পঠিত

➤ প্রতারকদের কাছে কীভাবে পৌঁছাল ঋণ আবেদন ও সঞ্চয়ের গোপন তথ্য—উঠছে প্রশ্ন?


 

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের উলিপুরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ (RDRS Bangladesh)-এর এক গ্রাহকের ব্যক্তিগত ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই তথ্য ব্যবহার করে একটি প্রতারকচক্র নিজেকে আরডিআরএস অফিস উলিপুর পরিচয় দিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে গ্রাহকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার করেছে আরডিআরএস কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাসিন্দা শিউলি বেগম আরডিআরএসের উলিপুর শাখায় ২ লাখ টাকা ঋণের জন্য আবেদন করেন। আবেদন যাচাইয়ের অংশ হিসেবে প্রথমে মাঠকর্মী কমল ও শাখা ব্যবস্থাপক মোহসিন আলী তার বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করেন। পরদিন আবার শাখা ব্যবস্থাপক মোহসিন আলী ও এরিয়া ম্যানেজার মনোরঞ্জন রায় সরেজমিনে গিয়ে ঋণ আবেদন যাচাই করেন এবং ১৯ জুলাই (রোববার) ঋণসংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য তাকে শাখা কার্যালয়ে যেতে বলেন।

ভুক্তভোগীর বলেন, রোববার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে মাঠকর্মী কমল ফোন করে দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে অফিসে যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পর ০১৩৪৪-২১৭৬০০ নম্বর থেকে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে নিজেকে আরডিআরএস অফিস থেকে বলছেন পরিচয় দেন। তিনি শিউলি বেগমের ঋণের পরিমাণ, সঞ্চয়ের পরিমাণ, তদন্তের তারিখ এবং কোন কর্মকর্তারা তদন্তে গিয়েছিলেন এসব তথ্য হুবহু জানিয়ে দেন।

এরপর ওই ব্যক্তি দাবি করেন, ২ লাখ টাকার ঋণের বিপরীতে আরও ২ লাখ টাকার মৃত্যু বীমা যুক্ত করতে হবে। ফলে মোট ৪ লাখ টাকার বিপরীতে ৪০ হাজার টাকা সঞ্চয় থাকতে হবে। যেহেতু তার হিসাবে ২৯ হাজার টাকা সঞ্চয় রয়েছে, তাই আরও ১১ হাজার টাকা এবং ফরম ও অন্যান্য খরচ বাবদ আরও ২ হাজার টাকা, অর্থাৎ মোট ১৩ হাজার টাকা দ্রুত পাঠাতে বলেন।

শিউলি বেগম জানান, ফোনে দেওয়া সব তথ্য তার ঋণ আবেদন ও হিসাবের সঙ্গে হুবহু মিলে যাওয়ায় তিনি বিষয়টি সত্য মনে করে ১৩ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে ঋণের জন্য শাখা কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি জানালে মাঠকর্মী কমল ও শাখা ব্যবস্থাপক জানান, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

এ বিষয়ে আরডিআরএসের মাঠকর্মী কমল বলেন, ঘটনাটি সত্যিই বিস্ময়কর। প্রতারকচক্র কীভাবে এত বিস্তারিত তথ্য পেল, সেটি তদন্তের বিষয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো গ্রাহকের হিসাবসংক্রান্ত তথ্য কাউকে দিইনি।

শাখা ব্যবস্থাপক মোহসিন আলী বলেন, আমি দুই দিন আগে গ্রাহকের বাড়িতে তদন্তে গিয়েছিলাম। অফিস থেকে কোনো গ্রাহকের তথ্য বাইরে দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। যে নম্বর থেকে ফোন করে টাকা নেওয়া হয়েছে, সেটি আমাদের অফিসের কারও নয়।

এরিয়া ম্যানেজার মনোরঞ্জন রায় বলেন, আমি ও শাখা ব্যবস্থাপক মোহসিন আলী গ্রাহকের বাড়িতে তদন্তে গিয়েছিলাম। আলোচনা শেষে তাকে ২ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। প্রতারণার ঘটনায় গ্রহকের তথ্য যদি ফাস হয়ে থাকে তাহলে আমাদের এখানে অনলাইন থেকেই হতে পারে।

এদিকে, ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিউলি বেগম মাঠকর্মী কমল, শাখা ব্যবস্থাপক মোহসিন আলী এবং এরিয়া ম্যানেজার মনোরঞ্জন রায়ের নাম উল্লেখ করে উলিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমল কিশোর ঘোষ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ঘটনা সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.টি.এম. আরিফ বলেন,বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে, গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনায় গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে প্রতারকদের হাতে পৌঁছেছে, তা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা রোধে আরডিআরএসের তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2026 Daily Kaler Somoy
Designed By Barishal Host