1. admin@dailykalersomoy.com : admin :
  2. rokunsorker724@gmail.com : Rokun : Rokun
  3. sohelrana57348@gmail.com : sohel Rana : sohel Rana
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি - Daily Kaler Somoy        
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 01410-871297
শিরোনামঃ
উলিপুরে কৃষিজমির মাটি কেটে পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা স্কেভেটর দিয়ে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি দপ্তরে জন্মদিনের আয়োজন, উলিপুরে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক উলিপুরে জুয়া খেলার সময় ১৪ হাজার ৬৯৫ টাকাসহ আটক-৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুন্নবী খন্দকারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন উলিপুরে ইলেক্ট্রোফিশিংয়ে মাছ শিকার, দুইজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামে ইয়াবা সেবনে ৬ মাসের কারাদণ্ড উলিপুরে ৮১ পিস ইয়াবা ও নগদ সাড়ে ৩ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার-১ উলিপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী ও শাশুড়ি পলাতক উলিপুরে টিআইয়ের উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা: দুই কর্মকর্তার দুই রকম বক্তব্য

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত

 

ডেস্ক রিপোর্ট ।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় ও কোলদিয়াড় এলাকায় পদ্মা নদীতে নতুন পানি প্রবেশের পর তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়েছে। গত ১৫ থেকে ২০ দিনে ভাঙনের কবলে পড়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষকের ২০০ থেকে ৩০০ বিঘা আবাদি জমি ও বিভিন্ন ফসল নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় ও কোলদিয়াড় এলাকার পদ্মা নদীর তীরে দেখা গেছে, প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে একের পর এক ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই এলাকায় পদ্মা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ মিটার। বর্তমানে পানির উচ্চতা রয়েছে ৯ দশমিক ৩৭ মিটার, যা বিপৎসীমার ৪ দশমিক ৪৩ মিটার নিচে। তাই আপাতত পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা নেই। তবে নদীভাঙন রোধে ইমারজেন্সি জিও ব্যাগের ব্যবস্থা রয়েছে।

স্থানীয় পদ্মা পাড়ের বাসিন্দারা বলেন, প্রতিবছরই পদ্মার ভাঙনে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও অসংখ্য পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। অনেক পরিবার একাধিকবার ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন আর পিছু হটার মতো কোনো জায়গা নেই। তারা একাধিকবার মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও স্থায়ী নদীশাসনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই ভবিষ্যতে পুরো গ্রাম রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর নদীশাসনের দাবি জানান তারা।

খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ৬ জলকপাট

ওই এলাকার স্থানীয় কৃষক নেন্টু (৬২) বলেন, গত ১৫ দিনে তার প্রায় আট বিঘা পাটখেতসহ আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। তিনি বলেন, প্রতিবছরই আমরা নদীভাঙনের শিকার হই। এবারও একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

তীব্র নদীভাঙনে দুই সপ্তাহে বিলীন ২৫ বসতবাড়ি

মাজদিয়াড় এলাকার কৃষক ইউসুফ আলী বলেন, গত ১২ থেকে ১৫ দিনে তার প্রায় পাঁচ বিঘা জমি, ঘাস ও পাটখেতসহ নদীতে বিলীন হয়েছে। তিনি নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।

এছাড়া ইয়াসিন প্রামাণিকের ছয় বিঘা, আমিরুল ইসলামের আট বিঘা, নজরুল ইসলামের তিন বিঘা, বাবুল প্রামাণিকের আড়াই বিঘা এবং সাধু ফরাজির ১২ বিঘাসহ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষকের মোট ২০০ থেকে ৩০০ বিঘা ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, প্রায় এক মাস ধরে ভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড বা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাননি কিংবা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি।

এ বিষয়ে মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও পদ্মার ভাঙন শুরু হয়েছে। গত ১৫ থেকে ২০ দিনে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো কর্মকর্তা খোঁজ নেননি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান বলেন, নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2026 Daily Kaler Somoy
Designed By Barishal Host